ও দেবিদ্বার উপজেলার রসুলপুর এলাকার মৃৎশিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সনাতন পদ্ধতিতে লাকড়ির চুলায় পুড়িয়ে পণ্য তৈরি করে আসছিল। এসব প্রতিষ্ঠান কিংবা সংশ্লিষ্টদের সরকারি কোনো পৃষ্টপোষকতা প্রদান না করা হলেও এনজিওগুলো তাদের ঋণসহ নানা সুবিধা প্রদান করছিল। ওই এলাকার মৃৎশিল্প মালিকরা জানান, সম্প্রতি এনজিওগুলো অতিমাত্রায় মুনাফালোভী হয়ে গেছে। সহযোগিতা নয়, সেবার নামে মুনাফা তুলে নেয়াই হচ্ছে এনজিওদের কাজ। তাই অনেকটাই বেকায়দায় পড়ে এসব এলাকার অধিকাংশ মৃৎশিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এ বিষয়ে রুদ্রপাল মৃৎশিল্প সমবায় সমিতির সভাপতি তাপস কুমার পাল জানান, এ মৃৎশিল্প কারখানাটি মৃৎ শিল্পীদের একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান, এ প্রতিষ্ঠানে আমরা শৈল্পিক কারুকাজ আর নিপুণ হাতের ছোঁয়া দিয়ে মাটির পণ্য তৈরি করি এবং দেশ-বিদেশের গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করি। আমরা ঐতিহ্যকে লালন করে পণ্য তৈরি করার চেষ্টা করি।
0 Comments